Monday, October 20, 2014

অনুমতি

মানিক :- আমি তোমাকে Kiss করতে চাই।
উপমা :- না।
মানিক :- প্লিজ শুধু একবার।
উপমা :- বললাম না? হবেনা।
মানিক :- প্লিজ শুধু একটা করবো।
উপমা :- রেগে গিযে,
.
.
.
.
আমি কি তো
মার ক্লাস টিচার ?
অনুমতি নেওযার কি আছে? জোর করে করতে পারো না ?

মুখোশ পার্টি

মুখোশ পার্টিতে যাবে রোমেল আর তার বউ।
রোমেলেরবউ শেষ মিনিটে বললো,সে যাবে না,
তার মাথা ধরেছে।

রোমেল একটা স্পাইডারম্যানের মুখোশ পরে বেরিয়ে গেলো একাই।
ঘন্টাখানেক পর রোমেলের বউ মত পাল্টে একটা মুখোশ পরে নিয়ে পার্টিতে গেলো,
একা একা রোমেল কী করে বেড়ায় দেখতে।


পার্টিতে গিয়ে সে দেখলো স্পাইডারম্যানের মুখোশের চারপাশে অনেক মহিলা,
জমিয়ে আড্ডা মারছে রোমেল। চটে মটে রোমেলের বউও সেই ভিড়ে গিয়ে জুটলো,
তারপর এক এক করে মহিলাকে হটিয়ে দিয়ে রোমেলকে দখল করলো সে।


নির্জনে রোমেল তার কানে কানে কুপ্রস্তাব দিলো।
মনে মনে চটে গিয়ে রাজি হলো রোমেলের বউ।


সার্টিফিকেট

ম্যাডামঃ তোমার বেতন বাড়ানো হয়েছে ছয় মাসও হয়নি,
এখনি আবার বেতন বাড়ানোর আবদার কেন?
কাজের মাসি: এই সময়ের মধ্যে আমি তিনটি সার্টিফিকেট পেয়েছি।
ম্যাডামঃ কি কি সার্টিফিকেট?
কাজের মাসি: আমি আপনার চেয়ে ভাল কাপড় আয়রন করতে পারি।
ম্যাডামঃ কে দিয়েছে এই সার্টিফিকেট?
কাজের মাসি: স্যার মানে… আপনার স্বামী।
ম্যাডামঃ হুম, আর কি সার্টিফিকেট পেয়েছো ?
কাজের মাসি: আমি আপনার চেয়ে ভাল রান্না করতে পারি।
ম্যাডামঃ কে বলেছে তুমি আমার চেয়ে ভাল রান্না কর ? (বেশ রাগত স্বরে…)
কাজের মাসি: আপনার স্বামী বলেছেন।
ম্যাডামঃ আচ্ছা ঠিক আছে, হতে পারে তুমি আমার চেয়ে ভাল রান্না কর। 

আমি কি চাকরানী নাকি যে ভাল রান্না জানতে হবে?
বলো আরেকটি কি সার্টিফিকেট পেয়েছ?কাজের মাসি: আমি আপনার চেয়ে ভালো বিনোদন সঙ্গী হিসাবে সময় পার করতে পারি।

মুড নাই

একটা মোরগ আর একটা মুরগি প্রেমিক-প্রেমিকা!!

তো মুরগি আর মোরগ এর মধ্যে কথা হচ্ছে!!!
 


মুরগি: আচ্ছা জান!!!
ডিম যদি গাছে ধরত তাহলে কেমন হত???
-
-
-
-
-
মোরগ: বুঝছি আজকেও তোমার মুড নাই!!!

সানি লিওনের ভরসা

সানি লিওন ভাল হয়ে গেছে। ওই সব কাজ বাদ দিয়ে এখন
বাড়িতে থাকে । কিন্তু হঠাত একদিন অসুস্থ হয়ে পড়লেন। ডাক্তার এর কাছে গেলে ডাক্তার বলল আপনি তো প্রেগন্যান্ট।
সানি শুনে তো অবাক। তখন সানি লিওন চিতকার করে বলল,






ওহ নো আজকাল বেগুনকেও
ভরসা করা যায় না ।

প্রথম ডেট

আমেরিকা প্রবাসী এক ইটালীয়
ফ্যামিলির মেয়ে যাচ্ছে জীবনের প্রথম
ডেটে।
তার দাদী তাকে ডেকে বলল, শুনো।
ছেলেটা তোমার হাত ধরতে চাইবে-
তুমি কিন্তু সহজে হাত ধরতে দিবে না।
তোমার এই কাজে আমাদের পরিবারের
অসম্মান হবে।
মেয়ে:- আচ্ছা দাদী।
দাদি:- ছেলেটা হয়ত তোমাকে চুমু
খেতে চাইবে-খবরদার রাজি হবে না।
আমাদের পরিবারের এতে অসম্মান হবে।
মেয়ে:- ঠিক আছে।
দাদি:- ছেলেটা হয়ত তোমার __ হাত
দিতে চাইবে, খবরদার সুযোগ
দিবে না।

ছোটো বেগুন

বাজারে গিয়ে বাজার করছে এক মেয়ে, দোকানীর কাছে গিয়ে বললো ভাই বেগুন কত করে?
দোকানী বললো এই তো ৪০ টাকা কেজি।

হাফ কেজি দেন ভাই।
দোকানী মেপে উঠাচ্ছে, এই সময় মেয়েটা বললো, এ কি অবস্থা, আপনার বেগুনগুলাতো ছোটো ছোটো, এর চেয়ে বড় বেগুন নাই?
-
-
-
-
দোকানী বললো, আপা মাঝে মাঝে তো রান্না করে খাওয়ার জন্য বেগুন কিনবেন, না কি?

নব বিবাহিত দম্পতি

নব বিবাহিত দম্পতি। বাসর রাত্রেই জামাই তো সেক্স করার জন্য্ পাগল হয়ে গেছে। কিন্তু বউ অনেক ধারমিক, কিছু করতে দেয়না।

জামাই অনেক চিন্তা করে একটা বুদ্ধি বের করল। সেয় তার বউকে বলল যে, জানো মুস্লিমরা সেক্স করলে প্রতিবার একটা করে ইহুদি মরে? 

ধারমিক বউ তো তা শুনে খুব খুশি। বউ বলে ঠিক আছে তাহলে চলো করি। তারা সেক্স করলো। বউ তো মজা পেয়ে গেছে। পরের দিন সকালে জামাই অফিস যাচ্ছে,বউ বলে আজকে অফিস যেও না, চল একটা ইহুদি মারি। জামাই তো খুশি হয়ে গেল,আর সেক্স করল। 

পরে দুপুরে জামাই খেতে বসবে,বউ বলে প্রতিদিনই ত খাও। চল একটা ইহুদি মারি। রাত্রে বেলা ঘুমানোর টাইম-ও একি কথা। 

পরের দিন জামাই অফিস গেল। অফিস থেকে আসার সাথে সাথে বউ এর একি বায়না। জামাই বলল, তুমি কাপড় খুলে রেডি হউ আমি আসছি। জামাই এসে ঘরে ঢুকেই বউ এর pussy-তে পেট্রল ঢালতে লাগলো। বউ বলে, কি করছ? জামাই বলে ইহুদির পুরা কেম্প ই জালায় দিচ্ছি

কনডম

বাপ পনেরো বছরের ছেলের ব্যাগে কনডম পাইয়া সেইটা দেখে বললো :
তোর লজ্জা করেনা, এই বয়সে ব্যাগে কনডম রাখোস?
-

-
-
-
ছেলে : তাইলে কি করুম ? এই বয়সে বাপ হইয়া যামু ?

বয়স হয়ে গেছে

এক সন্ত্রাসী এক বুড়ি মহিলার বাসায় বোম রেখে গেছে...
বুড়ি তা দেখে নি।


বাইরের লোকজন চিৎকার করতে লাগছিলো, "বুড়ি,বোম! বুড়ি,বোম!"

-
-
-
-
-

বুড়ি লজ্জিত ভাবে হেসে বলল, "যাহ্‌,শয়তান!
ওটা তো যৌবন কালে ছিলাম,এখন বয়স হয়ে গেছে না"

ফার্মেসী

এক ছেলের বাপ মাঝে মধ্যেই আফসোস করে ঐ ছেলেরে নিয়া !!!!!!!
ছেলের দিকে তাকাইয়া কয়,







শালার ঐ দিন যদি ফার্মেসীটা খোলা থাকত রে……..

ভালোবাসা নির্মান

এক পুলিশ এবং তার পরিবার আনন্দঘন পরিবেশে ছুটি কাটানোর জন্য সমুদ্র তীরবর্তী একটা রিসোর্ট ভাড়া করলো।
নির্ধারিত দিনে জরুরী কাজ পড়ে যাওয়া পুলিশ বাধ্য হয়ে তার বউ এবং সন্তাকে পাঠিয়ে দিল এবং দুদিনের মধ্যে কাজ সেরে সে নিজেও পৌছে গেল।
প্রাকৃতিক নিরিবিলি পরিবেশে অপরুপ সুন্দরী বউকে কাছে টেনে নিয়ে কানে কানে বলল : “চলো ভালোবাসা নির্মান করি”।
বউ : নো ডারলিং, এখান তো করা যাবে না, বাচ্চাটা দেখে ফেলবে।
স্বামী : তুমি ঠিকই বলেছ। চলোনা বিচের এক কোনায় যাই, বিচতো খুবই নিরিবিলি মনে হচ্ছে।
কিছুক্ষন হাটাহাটি করে তার এক
নিরিবিলতে ভালোবাসা নির্মানে ব্যস্ত হয়ে পরলো।
কিন্তু হঠাৎ করে কোথা থেকে এক পুলিশ এসে বলল : ইশহ এসব কি হচ্ছে? আপনাদের লজ্জা হওয়া উচিত এরকম পাবলিক প্লেসে অসামাজিক কাজ করছেন।
লজ্জিত স্বামী তার পরিচয় দিয়ে বলল : দেখুন আমি একজন পুলিশ অফিসার, একটু নিরিবিলি একান্ত সময় কাটানোর জন্যই আমরা এসেছি, আমাদের ভুল হয়ে গেছে,
আপনি যদি কেস ফাইল করেন তাহলে আর ইজ্জত থাকবে না।
পুলিশ অফিসার কিছুক্ষন ভাবলো, তারপর বলল : চিন্তার কিছু নেই, যেহেতু আপনি আমাদের একজন সহকর্মী আর এটা আপনার ফার্ষ্ট টাইম, তাই আপনাকে আমরা ছেড়ে দিচ্ছি। কিন্তু এই মহিলাকে ছাড়া যাবে না কারন গত দুই দিনে তিন তিন বার তাকে ক্ষমা করা হয়েছে, আর সম্ভব না।

ফুলের তোড়া

১২বছরের এক ছেলে ১৮বছরের
এক মেয়েকে ফুল দিলো।

মেয়ে খুশি হয়ে ছেলেকে "Kiss" দিলো।

ছেলে "Kiss" পেয়ে দৌড় শুরু করলো।
,
,
,
মেয়েঃ কি হইছে? দৌড়াচ্ছো কেন?
,
,
,
,
,
ছেলেঃ ফুলের তোড়া নিয়ে আসতাছি।

Sunday, July 29, 2012

ঘটনা আরো সাংঘাতিক হতে পারত

চায়ের দোকানে আড্ডা হচ্ছে। এক লোক বললেন, ঘটনা শুনেছেন। গত রাতে আমাদের এলাকার মজনু সাহেব বাড়িতে ফিরে দেখেন, তার স্ত্রী তার এক বন্ধুর সঙ্গে শুয়ে আছেন। তিনি রাগ দমাতে না পেরে সঙ্গে সঙ্গে রিভলবার বের করে গুলি করে দু’জনকেই মেরে নিজেও আত্মহত্যা করলেন।
পাশে বসে থাকা রাকিব সাহেব বললেন, এটা তো তেমন কিছুই নয়, ঘটনা আরো সাংঘাতিক হতে পারত।
লোকটি বললেন, কি বলেন? এক সাথে ট্রিপল ট্রাজেডি, আর আপনি বলছেন কিছুই না, আরো সাংঘাতিক হতে পারত? তো এর চেয়ে আর কি সাংঘাতিক হতে পারত?
রাকিব সাহেবঃ গতকাল যদি সোমবার না হয়ে বৃহস্পতিবার হতো তাহলে ঐ গুলিটা আমাকে খেয়েই মরতে হতো।

জীবনে হতাশা কিভাবে আসে

পদা: গদা, তোর জীবনটা খুব একঘেয়ে হয়ে যাচ্ছে সেটা কখন টের পাবি, বলতো?
গদা: কখন?
পদা: যখন তুই তোর লিঙ্গের সাইজ মাপতে যাবি। আর এই একঘেয়েমির সাথে প্রতিবার নতুন একটা উপসর্গ যোগ হবে।
গদা: সেটা কী?
পদা: হতাশা!

ভদ্রলোকনামা

সত্যিকারের ভদ্রলোক সব সময় মহিলাকে বাসা পর্যন্ত পৌঁছিয়ে দেয়, যদি বাসাটি হয় ভদ্রলোকের।
সত্যিকারের ভদ্রলোক সব সময় মহিলাকে আগে ঢুকতে দেয়, যদি মহিলার পৃষ্ঠদেশ অনেকটা অনাবৃত থাকে।
সত্যিকারের ভদ্রলোক মহিলার ভারবহনের দৃশ্য সহ্য করতে পারে না। সে চোখ ফিরিয়ে নেয়।
সত্যিকারের ভদ্রলোক স্ত্রীকে ট্রেনে তুলে দিয়ে ট্রেন ছাড়া পর্যন্ত অপেক্ষা করে। স্ত্রী চলে গেছে, সেটা সে নিশ্চিত হতে চায়।
সত্যিকারের ভদ্রলোক কখনো মহিলার বয়স জিজ্ঞেস করে না। সে জিজ্ঞেস করে, কবে সে স্কুল পাস করেছে।
সত্যিকারের ভদ্রলোক সব সময় মহিলাকে নিজের জায়গা ছেড়ে দেয়; শ্রেয়তর জায়গা দখল করতে।
সত্যিকারের ভদ্রলোক সব সময় মহিলাকে আদরমাখা নাম ধরে ডাকে, যদি সে মহিলার সত্যিকারের নাম ভুলে যায়।

Tuesday, November 29, 2011

মেয়েদের রকম !!!

মেয়েরা হয় তিন রকমের

ক. শ্বাসের সমস্যা আছেঃ আহ..আহ...আহহহ.......
খ. বাধ্যগতঃ ইয়েস, ওহ ইয়েস......আহ ইয়েস....
গ. লোভীঃ মোর..মোর...প্লিজ......মোর...

Wednesday, May 11, 2011

অভ্যাস......

কোন এক সিনেমা হলের টিকেট চেকারের একটা মেয়ে টিয়া পাখি ছিল। টিয়াটা কথা বলতে পারতো। মুলত: চেকারকে সাহায্য করার জন্য টিয়াটি কথা বলতো। হলের প্রতিটি শো এর আগে দর্শকরা টিকেট কেটে যখন হলে ঢুকতো তখন টিয়াটি বলত--" একে একে আয়! লাইন ধরে আয়"! তো একদিন হঠাৎ করে টিয়াটি হারিয়ে গেল। বেচারা টিকিট চেকার দুই তিন দিন অনেক খুজেও টিয়ার সন্ধান না পেয়ে আশা ছেড়ে দিল। একদিন সকাল বেলা হাসপাতাল থেকে টিয়ার খবর এলো। চেকার হন্তদন্ত হয়ে হাসপাতালে গেলেন এবং টিয়াকে জিজ্ঞাস করলেন এতদিন তুই কোথায় ছিলি?? টিয়া বলল--" আর বলিস না। তোর এখান থেকে গিয়েছিলাম জঙ্গলে। অনেক ছেলে টিয়া দেখে অভ্যাসবসত ওখানেও বলে ফেললাম "একে একে আয়! লাইন ধরে আয়", তারপর আমি এখানে!!

নতুন শাখা

দারুণ সফল এক যৌনকর্মী গেল ডাক্তারের কাছে। গিয়ে বললো, ডাক্তার আমার শরীরে আরেকটা ফুটো করে দেন?
অবাক হয়ে ডাক্তার জানতে চাইলো, আরেকটা কেন?
মেয়েটা বললো, ব্যবসা খুব ভাল যাচ্ছে, ভাবছি নতুন একটা শাখা খুললে কেমন হয়।

গ্রামের মেয়ে

এক যুবকের ধারণা শহরের মেয়েদের চেয়ে গ্রামের মেয়েদের চরিত্র অনেক ভালো। তাই সে সিধ্দান্ত নিল গ্রামে বিয়ে করবে। করলোও তাই। নতুন বউ নিয়ে শহরে রিক্সায় যাওয়ার সময় এক জায়গায় এসে দেখলো অনেকগুলি মেয়ে দাড়িয়ে বাজে ইংগিত করছে। বউ জিগ্যাসা করলো এরা কারা ?
স্বামী বললো, এরা পতিতা, টাকার বিনিময়ে পুরুষেরা এদেরকে ভোগ করে। স্ত্রী আবার প্রশ্ন করলো, তা কত টাকা পায় এরা?
স্বামী বললো: একশো, দু'শো, পাঁচশো বিভিন্ন রকম রেট আছে। স্ত্রী আশ্চয হয়ে বললো: এত টাকা! তাহলে তো আমার খালাতো ভাইয়ে কাছে আমি অনেক টাকা পাবো।