Saturday, March 26, 2011

ফটো তোলা....

প্রচন্ড গনপিটুনি খেয়ে মারাত্মক আহত একজন লোককে পুলিশ উদ্ধার করল । তাকে প্রথমে হাসপাতালে নেওয়া হল । প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে জেরা শুরু করল-

: আপনাকে জনগন এত পিটুনি দিল কেন?
বাসের মইধ্যে আমার হাত থেইক্যা একটা ফটো পইড়া গেছিল, হেইডা তুলতে চাইছিলাম, তাই ।
: এই কারনে তো পিটুনি দেওয়া উচিৎ না । আসল কথা বল..
: ফটোডা পড়ছিল এক মোটকা আফার পায়ের কাছে । হ্যাতের শাড়ির লাইগা আমি ঠিক বুইজতার্ছিলাম না ফটোডা ঠিক কই পড়ছে। তাই হেই আফারে কইছিলাম 'আফা শাড়িডা এট্টু তোলেন তো আমি ফটো তুলব'

দাঁড়ানো !!!

আবুল, বাবুল আর নাভানার ইঞ্জিনিয়ার প্রিন্স সাহেব পাত্রী খুঁজতে খুঁজতে এক দ্বীপে এসে হাজির হলো... যেই দ্বীপটা মূলতঃ জংলী ক্যানিবেল (মানুষখেকো)-দের আস্তানা! বিনা ভিসায় তাঁদের এলাকায় প্রবেশের অপরাধে জংলীরা তিনজনকে ধরে নিয়ে গেল রাজার কাছে। ক্যানিবেলদের রাজা ছিল রসিক লোক। তিনজনকেই উনুনে চড়ানোর নির্দেশ দিল..... তবে মুক্তি পেতে পারে এক শর্তে! রাজার ইয়ে ৮ ইঞ্চি... এখন আবুল, বাবুল আর প্রিন্স সাহেবের তিনজনের ইয়ের দৈর্ঘ্যের সমষ্টি ৮ ইঞ্চি বা ততোধিক হলে তবেই মুক্তি... অন্যথায় সোজা উনুনে! প্রিন্স সাহেব-তো শুনেই ভ্যা করে কেঁদে ফেল্লেন!

কিছু করার নাই.... রাজার হুকুম! প্রথমে আবুলের প্যান্ট খোলা হলো...৪ ইঞ্চি। তারপর বাবুল...৩ ইঞ্চি! এবার প্রিন্স সাহেবের পালা... জিপার খুলে পাওয়া গেল এক ইঞ্চি!...উফ! বাঁচা গেল... সমষ্টি কাটায় কাটায় ৮ ইঞ্চি! রাজার জবান নড়চড় হবার নয়...মুক্তি পেল তিন জন!

ফেরার পথে আবুল বলছে... ''আজ বড় বাঁচা বেঁচে গেছি...ইস্ আমারটা যদি ৪ ইঞ্চি না হতো... আজ এখন তিনজনকেই উনুনে থাকতে হতো!'' বাবুল বললো... ''তুই শুধু নিজেরটাই দেখলি, আমারটা ৩ ইঞ্চি না হলে আজ কি হতো বল?!''... তখন নাভানার প্রিন্স সাহেব বলছেন..'' আমি ভাবছি অন্যকথা!...আজ আমাদের অবস্থাটা কি হইতো... যদি আমারটা না দাঁড়াইতো?!... ভাগ্যিস আজ আমারটা সময়মত দাঁড়াইছিল!''

দামী ভায়াগ্রা

স্ত্রী, স্বামীকে টেলিফোন করলো: এই শোনো, আমি আসতে কিন্তু আরো একঘন্টা লাগতে পারে। স্বামী বেচারা চিন্তা করলো আজকে স্ত্রীকে খুশী করবে, তাই সে একটা ভায়াগ্রা খেয়ে নিলো। কারণ ডাক্তার বলেছিলো, একঘন্টা আগে ভায়াগ্রা খেয়ে নিতে। তখনই আবার স্ত্রী ফোন করে বললো: জানো, রাসতায় না এ্যাকসিডেন্ট হয়েছে তাই রাস্তা বন্ধ। আমার আসতে মনে হ্য় আরো দেড়/দুই ঘন্টা লেগে যেতে পারে।

স্বামী আর কি করবে, ভায়াগ্রা দামী জিনিস নস্ট হতে দেয়া যাবেনা তাই ডাক্তারকে ফোন করলো: ডাক্তার সাহেব, আপনি তো একঘন্টা আগে ভায়াগ্রা খেতে বলেছিলেন, এখন আমার স্ত্রী আসতে দেড়/দুই ঘন্টা লেগে যাবে। তাহলে কি ঔষধ কি জলে গেলো?
ডাক্তার বললো: জলে যাবে কেনো আপনার বাসায় কি কাজের লোক নেই? তাহলে তার উপরে অ্যাপ্লাই করে ফেলুন।
স্বামী: জ্বী ডাক্তার সাহেব কাজের একটা মেয়ে আছে বটে কিন্তু তার সাথে তো আমার ভায়াগ্রার প্রয়োজন হ্য়না।

সৈন্য

অফিসে এক সকালে ফাইল সাইন করানোর সময় সাহেবের সেক্রেটারী খেয়াল করলো তার বসের প্যান্টের চেইন খোলা। সে তার নিজের কেবিনে যাওয়ার সময় বসকে বললো: স্যার, আপনার ব্যারাকের দরজা খোলা। বস তখনো কিছু বুঝেননি। পরে যখন নিজেকে জরিপ করতে গিয়ে আবিস্কার করলেন তার প্যান্টের চেইন খোলা ছিলো তখন চিন্তা করলেন সেক্রেটারীর সাথে একটু লুলামী করা যাক।
সেক্রেটারীকে ডেকে বললেন আচ্ছা, আপনি সকালে যখন দেখলেন ব্যারাকের দরজা খোলা তখন কি খেয়াল করেননি একজন বিশ্বস্ত সৈন্য সোজা হয়ে দাড়িয়ে ছিলো?
সেক্রেটারী বললো: না স্যার, আমি দেখেছিলাম একজন ছোট প্রতিবদ্ধী যুদ্ধফেরত সৈন্য ক্লান্তভাবে দুইটা বস্তার উপরে বসে আছে।

কি পাইসিলা ???

মাইয়া মারে জিগায়: আম্মা, আমি কেমনে হইসিলাম?
মা: বিয়ার পরে তুমার আব্বা আমার ভেজাইনার ভিতরে পেনিস ঢুকাইসিলো, তখন ৯ মাস পরে তুমারে পাইসিলাম।
মাইয়া: কিন্তু, সেইদিন যে দেখসিলাম আব্বার ওইডা তুমার মুখের ভিত্রে, থন তুমি কি পাইসিলা?
মা: ওরে আমার সোনার চাঁন পুতলা, আমি একডা সোনার চেইন পাইসিলাম।

Friday, March 25, 2011

পাশের বাড়ির মহিলা..........

একদিন এক ব্যাক্তি তার ছেলেকে পেটাচিছল…অপর আরেক ব্যাক্তি ছুটে এসে বল্লো…

আরে মশাই আপনার ছেলে কে এভাবে নিরদয়ভাবে মারছেন কেনো?

বাবাঃ আরে ভাই আর বলবেন না, হারামজাদা পাশের বাড়ির মহিলা কে pregnant করে দিছে…

অপর ব্যাক্তিঃ তাই নাকি…কিভাবে হলো বলুন ত মশাই…।

বাবাঃ হারামজাদায় আমার বিছানার নিচে রাখা সবগুলা Condom ফুটা কইরা রাখছে…।।

লজ্জা !!!

একদিন এক তরুনী গাভী এক কিশোর বিড়াল কে জিজ্ঞেস করছিল…।

গাভীঃ কিরে তোর দেখছি গোফের রেখা গজিয়েসে।তোর লজ্জা করেনা ?

কিশোর বিড়ালঃ একী বলছো দিদিমনি…।। তুমি এতো বড় ধাই হয়েছো…অথচ ব্রা না পরে দিব্বি ঘুরে বেড়াচছো, তোমার লজ্জা লাগে না…?