Tuesday, November 29, 2011

মেয়েদের রকম !!!

মেয়েরা হয় তিন রকমের

ক. শ্বাসের সমস্যা আছেঃ আহ..আহ...আহহহ.......
খ. বাধ্যগতঃ ইয়েস, ওহ ইয়েস......আহ ইয়েস....
গ. লোভীঃ মোর..মোর...প্লিজ......মোর...

Wednesday, May 11, 2011

অভ্যাস......

কোন এক সিনেমা হলের টিকেট চেকারের একটা মেয়ে টিয়া পাখি ছিল। টিয়াটা কথা বলতে পারতো। মুলত: চেকারকে সাহায্য করার জন্য টিয়াটি কথা বলতো। হলের প্রতিটি শো এর আগে দর্শকরা টিকেট কেটে যখন হলে ঢুকতো তখন টিয়াটি বলত--" একে একে আয়! লাইন ধরে আয়"! তো একদিন হঠাৎ করে টিয়াটি হারিয়ে গেল। বেচারা টিকিট চেকার দুই তিন দিন অনেক খুজেও টিয়ার সন্ধান না পেয়ে আশা ছেড়ে দিল। একদিন সকাল বেলা হাসপাতাল থেকে টিয়ার খবর এলো। চেকার হন্তদন্ত হয়ে হাসপাতালে গেলেন এবং টিয়াকে জিজ্ঞাস করলেন এতদিন তুই কোথায় ছিলি?? টিয়া বলল--" আর বলিস না। তোর এখান থেকে গিয়েছিলাম জঙ্গলে। অনেক ছেলে টিয়া দেখে অভ্যাসবসত ওখানেও বলে ফেললাম "একে একে আয়! লাইন ধরে আয়", তারপর আমি এখানে!!

নতুন শাখা

দারুণ সফল এক যৌনকর্মী গেল ডাক্তারের কাছে। গিয়ে বললো, ডাক্তার আমার শরীরে আরেকটা ফুটো করে দেন?
অবাক হয়ে ডাক্তার জানতে চাইলো, আরেকটা কেন?
মেয়েটা বললো, ব্যবসা খুব ভাল যাচ্ছে, ভাবছি নতুন একটা শাখা খুললে কেমন হয়।

গ্রামের মেয়ে

এক যুবকের ধারণা শহরের মেয়েদের চেয়ে গ্রামের মেয়েদের চরিত্র অনেক ভালো। তাই সে সিধ্দান্ত নিল গ্রামে বিয়ে করবে। করলোও তাই। নতুন বউ নিয়ে শহরে রিক্সায় যাওয়ার সময় এক জায়গায় এসে দেখলো অনেকগুলি মেয়ে দাড়িয়ে বাজে ইংগিত করছে। বউ জিগ্যাসা করলো এরা কারা ?
স্বামী বললো, এরা পতিতা, টাকার বিনিময়ে পুরুষেরা এদেরকে ভোগ করে। স্ত্রী আবার প্রশ্ন করলো, তা কত টাকা পায় এরা?
স্বামী বললো: একশো, দু'শো, পাঁচশো বিভিন্ন রকম রেট আছে। স্ত্রী আশ্চয হয়ে বললো: এত টাকা! তাহলে তো আমার খালাতো ভাইয়ে কাছে আমি অনেক টাকা পাবো।

নেটওয়ার্ক........

এক মেয়ে তার বয়ফ্রেন্ডের সাথে সেক্স করার পর বলছে, "সেক্সের সময় তুমি আস্ত একটা মোবাইল ফোন হয়ে যাও"

"কেন, কেন? আমি কি খুব বেশী ভাইব্রেট করি?" ছেলে উৎফুল্ল হয়ে বলে।

"না! টানেলের ভেতর ঢুকা মাত্রই তোমার নেটওয়ার্ক চলে যায়...

শয়তান মারা

এক পঞ্চাশ বছর বয়স্ক হুজুর ১৬ বছর বয়স্ক কিশোরীকে বিয়ে করলো। বাসর রাত, হুজুর বয়সের কারনে মেয়েটিকে সরাসরি কিছু বলতে পারছিল না তাই এক বুদ্ধি আটলো।মেয়েটিকে বললো আসো আমরা শয়তান মারি, তারপর শুভ কাজ শুরু করলো।যাইহোক মেয়েটি শয়তান মেরে খুবই আনন্দ পেল এবং আরো শয়তান মারতে চাইলো।এভাবে তারা তিনবার শয়তান মারার পর মেয়েটি আবারও করতে চাইল... কিন্তু হুজুর কাতর কন্ঠে বলল.....এবার তাইলে মুমিন বান্দা মারা যাবে।

বলতে মানা !!!

একবার তিনবোনের একসাথে বিয়ে হলো। তাদের হানিমুনের জন্যও তারা একই যায়গায় যাওয়ার পরিকল্পনা করল। কিন্তু মেয়ের মা ঠিক করলেন যে তার এত আদরের তিন মেয়েকে প্রথমেই একা স্বামীর সাথে এতদূর যেতে দেবেন না। তাই উনিও তাদের সাথে গেলেন। হোটেলে পাশাপাশি চাররুমে তিনবোন স্বামীসহ আর মায়ের থাকার ব্যাবস্থা হলো।

রাতে হোটেল নিঃশব্দ হয়ে যাওয়ার পর মা উঠে গিয়ে বড় মেয়ের দরজায় কান পাতলেন। সেখান থেকে মেয়েটার চিৎকার শোনা যাচ্ছিলো। সন্তুষ্ট হয়ে মা এবার মেজো মেয়ের ঘরের দরজায় কান পাতলেন। সেখানে মেয়েটার খিলখিল হাসি শুনতে পেলেন। এবারও ভ্রুক্ষেপ না করে মা ছোট মেয়ের দরজায় কান রাখলেন। সেখান থেকে কোন শব্দই পেলেন না। চিন্তিত মুখে মা নিজের রুমে ফিরে এলেন।

পরদিন নাস্তা খাওয়ার সময় তিন মেয়েকে তাদের রাতের কথা জিজ্ঞেস করছিলেন তিনি। বড় মেয়েকে সুধালেন, 'তুমি রাতে চিল্লাচ্ছিলে কেন মা?'
'আমার ব্যাথা লাগছিলো' বড় মেয়ে বলে।
মেজো মেয়েকে বললেন, 'তুমি হাসছিলে কেন?'
'আমার সুরসুরি লাগছিলো মা' মেজো মেয়ের জবাব।
তারপর ছোট মেয়ের দিকে ফিরে বললেন, 'আর তোমার ঘর থেকে রাতে কোন শব্দ পাওয়া যাচ্ছিলো না কেন?'
ছোট মেয়ে হাত থেকে পানির গ্লাসটা নামিয়ে বলল, 'কেন মা তুমিই তো বলেছ কোন কিছু খাওয়ার সময় কথা বলতে হয় না'